আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মনিন্দার সিং, তিনি কানাডার ব্রিটিশ কলম্বিয়া প্রদেশের শিখ অ্যাডভোকেসি দলের মুখপাত্র। ২০২২ সালের জুলাই থেকে দুইবার তার বাসায় পুলিশ গিয়েছিল। পুলিশ জানায়, তিনি হত্যাকাণ্ডের ঝুঁকিতে রয়েছেন। তবে কারা তাকে হত্যা করতে চায় সে বিষয়ে পুলিশ কিছু জানায়নি। খবর রয়টার্স
পুলিশের কাছ থেকে এই ধরনের সতর্কতা পাওয়ার পর ৪৩ বছর বয়সী এই কানাডিয়ান স্ত্রী এবং দুই সন্তানকে রেখে নিরাপত্তার জন্য কয়েক মাস বাড়ির বাইরে থাকেন।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কথা উল্লেখ করে মনিন্দার সিং বলেন, মোদির শাসনামলে ভারত এক অনন্য উচ্চতায় পৌঁছেছে। তারা নিজেদের ব্যাপক শক্তিশালী মনে করে। একই সঙ্গে তারা এটাও মনে করে যে তাদের কেউ আটকাতে পারবে না।
ভারতের পাঞ্জাব রাজ্য ছাড়া কানাডাতে শিখ সম্প্রদায়ের একটা বড় গোষ্ঠী রয়েছে। সম্প্রতি ভারত ও কানাডার সরকারের মধ্যে উত্তেজনার ফলে তারাও বিভিন্নভাবে হুমকি পাচ্ছেন।
কানাডার জাতীয় পুলিশ পরিসেবা চলতি সপ্তাহে প্রায় ডজন খানেক শিখকে সতর্ক করেছেন। যারা মূলত ভারতের বাইরে শিখ কমিউনিটি গড়ে তুলতে চান।
গত বছরের ১৮ জুন শিখ নেতা হারদীপ সিং নিজ্জরকে হত্যার ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো ভারতকে দায়ী করার পর থেকেই কানাডায় আলোচনায় রয়েছে শিখ সম্প্রদায়।
যদিও ভারত সরকার নিজ্জরকে হত্যার ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেছে এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী শিখ সম্প্রদায়ের জন্য কারা নিরাপদ আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ করে নয়া দিল্লি।
নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সোমবার ছয় ভারতীয় কূটনীতিককে বহিস্কার করেছে। এর পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে ভারতও ছয় কানাডিয়ার কূটনীতিককে বহিস্কার করে।
কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো বলেছেন, ‘আমাদের কাছে স্পষ্ট প্রমাণ রয়েছে ভারত সরকার কানাডার জন নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ করেছে।’
রয়েল কানাডিয়ান মাউন্ডেট পুলিশের মুখপাত্র ক্যামেলি বয়লি লাভিও বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেন, ‘যাদেরকে হুমকি দেয়া হয়েছে, তাদের বিষয়ে আমরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছি। তবে নিরাপত্তার স্বার্থে তিনি আর এ বিষয়ে বিস্তারিত বলেননি।
এমএফ