আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বুধবার মধ্য রাতে দিল্লির জইতপুরে কালিন্দীকুঞ্জ থানা এলাকার নিমা হাসপাতালে নিজের চেম্বারে ছিলেন চিকিৎসক জাভেদ আখতার।
হাসপাতালের কর্মীরা জানান, রাতের দিকে দুই যুবক হাসপাতালে যান। তাঁদের একজন জানান, পায়ের আঙুলের ক্ষতস্থান থেকে রক্ত পড়ছে। তাই ক্ষতস্থান পরিষ্কার করে নতুন করে ব্যান্ডেজ লাগানো প্রয়োজন। সেই মতো হাসপাতালের কর্মীরা পায়ের ক্ষতস্থানে নতুন ব্যান্ডেজ লাগিয়ে দেন। তার পরেই প্রেসক্রিপশন লাগবে বলে জাভেদের চেম্বারে যেতে চান অভিযুক্ত দু’জন। তাঁরা চেম্বারে ঢোকার কিছুক্ষণ পরেই বাইরে থেকে গুলির শব্দ পান হাসপাতালের দুই নার্সিং স্টাফ গজলা পরভিন এবং মহম্মদ কামিল।
তারা চিকিৎসকের চেম্বারে ঢুকে দেখেন, জাভেদের মাথা রক্তে ভেসে যাচ্ছে। অভিযুক্তদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। মনে করা হচ্ছে, চিকিৎসকের মাথা লক্ষ্য করে গুলি চালানোর পর পরই পালিয়ে যান অভিযুক্তরা। অল্প সময়ে অধিক রক্তপাতের কারণে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ওই চিকিৎসকের।
এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। প্রাথমিকভাবে তারা মনে করছে, আগাম পরিকল্পনা করেই ওই চিকিৎসককে খুন করা হয়েছে। সেই পরিকল্পনার অঙ্গ হিসাবেই চিকিৎসকের চেম্বারে প্রেসক্রিপশন আনতে গিয়েছিলেন অভিযুক্তেরা। হাসপাতালের ভিতরে থাকা সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে দু’জনকে চিহ্নিত করার চেষ্টা হচ্ছে।
এমএফ