কেউ যদি ঘুষ চায়, তাহলে আগে ঘুষি মারতে বলেছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।
বুধবার (২১ আগস্ট) দুপুরে চট্টগ্রামে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় সহিংস ঘটনায় আহতদের দেখতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান অন্তর্বর্তী সরকারের ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন।
তিনি বলেন, ‘কেউ ঘুষ চাইলে আগে তাকে ঘুষি মারুন। তাকে সঙ্গে সঙ্গে প্রতিরোধ করুন। তারপর দেশে যে বিদ্যমান আইনশৃঙ্খলা কাঠামো রয়েছে সেই বিচারের মুখোমুখি করুন।’ তার সঙ্গে ছিলেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলম ও হাসনাত আব্দুল্লাহও।
দুর্নীতিবাজ ও ঘুষখোর কর্মকর্তাদের সতর্ক করে দিয়ে হাসনাত আবদুল্লাহ আরও বলেন, আমরা বাংলাদেশ সংস্কারের মধ্যে রয়েছি। স্বাধীনতার ৫৩ বছরে এসে আপনারা যদি রাষ্ট্র সংস্কারের সুযোগ না দিয়ে যদি ব্লাকমেইলিং করেন তাহলে আমরা মনে করব আপনারা রাষ্ট্র পুনর্গঠনের সুযোগ না দয়ে ষড়ষন্ত্র করছেন।
কাস্টমসে কর্মরতদের উদ্দেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের এই সমন্বয়ক বলেন, ঘুষ খেয়ে রাষ্ট্র সংস্কার করা যাবে না। কোটা সংস্কারের সহযোগী হোন।’
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অন্যতম সমন্বয়ক সারজিস আলমও সেখানে বক্তব্য দেন। তিনি তার বক্তব্যে অন্তবর্তী সরকারকে সময় দেওয়ার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, ১৬ বছর ধরে যে মানুষটি একটি মাত্র কথা বলার সাহস করেনি, বিগত ৫৩ বছরে যারা রাস্তায় নামার সাহস করেনি সেই মানুষটা চাচ্ছেন যে অন্তবর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নিয়েছে তাদের ১৬ দিনেই সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাক।
যারা ব্যক্তিগত ও গোষ্ঠীগত উদ্দেশে আন্দোলন-ঘেরাও কর্মসূচি পালন করছে তাদের উদ্দেশে সারজিস আলম বলেন, ‘এই মানুষগুলো তাদের ব্যক্তিগত কিংবা ছোট্ট একটা গোষ্ঠীগত উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের জন্য রাজপথ-সচিবালয়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ঘেরাও করছে। আমরা মনে করি তারা যদি এই ধৈয্যটুকু না ধরে ক্ষতপূর্ণ রাষ্ট্র সংশোধনের জন্য যে সময় প্রয়োজন সেটি না দিয়ে, স্থিতিশীল হওয়ার সুযোগ না দিয়ে এসব কাজ করে যান তাহলে মনে করব তাদের ভিন্ন উদ্দেশ্য রয়েছে।