আন্তর্জাতিক ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্রের মিশিগানের ডিয়ারবর্নে আরব আমেরিকান এবং মুসলিম কমিউনিটির কাছে ভোট চাইতে গিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু তার আগমন শুনে শুক্রবার (০১ নভেম্বর) বিকালে একটি রেস্টুরেন্ট অপত্যাশিতভাবে খালি হয়ে যায়। খবর রয়টার্স
‘দ্য গ্রেট কমনার’ এর জেনারেল ম্যানেজার জেইনা শাহাবান বলেন, শুক্রবার বিকালে হালাল রেস্টুরেন্টগুলো সাধারণত লোকে পূর্ণ থাকে। কিন্তু গতকাল ট্রাম্পের আগমনে অনেক অতিথি তাদের রিজার্ভেশন বাতিল করে।
মার্কিন এই নাগরিক যিনি ফিলিস্তিন এবং লেবাননের ঐতিহ্য ধারণ করেন। তিনি ফিলিস্তিনিদের ঐতিহ্যবাহী পোশাক কেফিয়া পরিহিত অবস্থায় বলেন, ‘আমরা অনেক আগেই প্রতারিত হয়েছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আমি মনে করি এমন পরিস্থিতি আমরা আরও দেখতে পাব। কারণ এখানের প্রত্যেক ব্যক্তিই গাজা এবং লেবানন পরিস্থিতির মতোই যন্ত্রণা নিয়ে আছেন।
ট্রাম্পও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর একজন কট্টর সমর্থক। এ অবস্থা সত্ত্বেয় তিনি আরব ও মুসলিম ভোটারদের কাছে ভোটের আশা করছেন। কারণ তিনি গাজা, লেবানন, ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সংঘাতময় পরিস্থিতির জন্য বাইডেন প্রশাসনকে দায়ী করেছেন।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিসের ইসরায়েলের প্রতি অব্যাহত অর্থনৈতিক এবং সামরিক সমর্থনের ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়ে আসছেন ট্রাম্প। তার এ পদক্ষেপকে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা হিসেবে দেখছেন তার সমর্থকরা।
২০১৭ সালে ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট হিসেবে ক্ষমতা গ্রহণ করার পর অধিকাংশ মুসলিম জনগোষ্ঠীর সাতটি দেশটি দেশে থেকে ভ্রমণকারী এবং অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। সেই বিষয়ে এখন নতুন করে ভাবাচ্ছে মার্কিন মুসলিম ভোটারদের। যদিও আদালতের হস্তক্ষেপে ট্রাম্পের ওই নীতি ২০১৮ সাল পর্যন্ত স্থগিত রাখে দেশটির সুপ্রিম কোর্ট।
এমএফ