নিজস্ব প্রতিবেদক: যুবদল নেতা শামীম হত্যা মামলায় শেখ হাসিনার সাবেক মুখ্য সচিব ও জামালপুর-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আবুল কালাম আজাদকে সাত দিনের রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।
রোববার (১৩ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরোবিয়া খানমের আদালত এ আদেশ দেন।
এদিন রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তাকে কারাগারে প্রেরণের আবেদন করেন। অন্যদিকে জামিন চেয়ে আবেদন করে আসামিপক্ষের আইনজীবী। একপর্যায়ে শুনানি শেষে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরোবিয়া খানমের আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে আসামিকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। সেই সঙ্গে কারাবিধি অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ডিভিশন ও চিকিৎসার নির্দেশ দেন।
গত ৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে আবুল কালাম আজাদকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) একটি দল। পরদিন ৬ অক্টোবর সাবেক এই সংসদ সদস্যকে সাত দিনের রিমান্ডে নেয়ার আদেশ দেন আদালত।
প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর বিএনপি ঢাকায় মহাসমাবেশের ডাক দিলে একই দিন পাল্টা সমাবেশ ডাকে আওয়ামী লীগ। পাল্টাপাল্টি সমাবেশ ঘিরে সেদিন বিএনপি নেতাকর্মীদের ওপর পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হামলায় অনেকে আহত হন। একই ঘটনায় শামীম নামের এক যুবদল নেতা নিহত হন। সবশেষ গত ২৪ সেপ্টেম্বর এ ঘটনায় রাজধানীর পল্টন মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। আবুল কালাম আজাদ সেই মামলার এজাহারনামীয় আসামি।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামালপুর-৫ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন নিয়ে প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য হন তিনি। ১৯৮২ সালের বিশেষ বিসিএস ব্যাচের একজন কর্মকর্তা ছিলেন আবুল কালাম আজাদ। ২০১৪ সালে তিনি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সচিব হিসেব নিয়োগ পান। পরে ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারিতে মুখ্য সচিব হিসেবে পদোন্নতি পান। শেখ হাসিনার আস্থাভাজন এই কর্মকর্তা একইসঙ্গে এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়কও ছিলেন।
এমএফ